খেলা

অলিম্পিকে নারীদের যে পরীক্ষায় খোদ সেমেন্যা বললেন, ‘এটা অসম্মানজনক!’

অলিম্পিকে নারী ক্রীড়াবিদদের হরমোন পরীক্ষার মাধ্যমে লিঙ্গ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে সরব হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অলিম্পিক স্বর্ণপদক জয়ী কাস্টার সেমেন্যা। তার মতে, এই পরীক্ষা অত্যন্ত অসম্মানজনক। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) নতুন প্রধান ক্রিস্টি কভেন্ট্রির অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক থেকে কার্যকর হবে।

সেমেন্যা, যার শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি, তিনি এই নতুন নিয়মকে ব্যক্তিগতভাবে এবং আফ্রিকান নারী হিসেবে ‘কষ্টদায়ক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, “একজন নারী হিসেবে, আপনি যে যোগ্য তা প্রমাণ করার জন্য আপনাকে কেন পরীক্ষা করা হবে? ব্যাপারটা এমন যে, এখন আমাদের নারীদের প্রমাণ করতে হবে যে খেলাধুলায় অংশ নেওয়ার জন্য আমরা যোগ্য। এটা নারীদের প্রতি অসম্মান।”

আইওসির জন্য এমন সিদ্ধান্ত নতুন নয়। এর আগে ১৯৬৮ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নারী ক্রীড়াবিদদের ক্রোমোজোম পরীক্ষার মাধ্যমে লিঙ্গ নিশ্চিত করা হতো। নানা চাপের মুখে আইওসি পরে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। কিন্তু এবার নতুন সিদ্ধান্তে ফিরে আসায় সেমেন্যার মতো অনেকেই এর সমালোচনা করছেন। কাস্টার সেমেন্যা নিজেও বেশি টেস্টোস্টেরন থাকার কারণে বেশ সংগ্রাম করেছেন এবং নিজের অধিকার আদায়ের জন্য আদালত পর্যন্ত যেতে হয়েছিল তাকে।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button