জিতেও বিদায় বার্সার; সেমিফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ!

শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভেঙেছে বার্সেলোনার। চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে নিজেদের মাঠে ৩-০ গোলে জিতলেও, প্রথম লেগের বড় ব্যবধানে হারের কারণে ৪-৩ গোলের অগ্রগামিতায় অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছে কাতালানরা। এর ফলে ফাইনালে খেলার টিকিট নিশ্চিত করেছে অ্যাটলেটিকো।
চার গোলের বিশাল ঘাটতি নিয়ে ন্যু ক্যাম্পে মাঠে নামা বার্সা শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। ম্যাচের ২৯ মিনিটে লামিন ইয়ামালের নিচু ক্রস থেকে গোল করে দলকে আশা দেখান মার্ক বার্নাল। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাফিনহা, যা বার্সা সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে স্বপ্ন জাগায়।
বিরতির পরও নিজেদের দাপট বজায় রাখে স্বাগতিকরা। ৭২ মিনিটে জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো বলে অসাধারণ এক ভলিতে গোল করে নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করেন বার্নাল। এরপর বার্সা একের পর এক আক্রমণে অ্যাটলেটিকোকে কোণঠাসা করে ফেলেছিল, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত চতুর্থ গোলটি আর আসেনি।
পুরো ম্যাচে অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসো ছিলেন দুর্দান্ত। তার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ অ্যাটলেটিকোর ফাইনাল নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখে। অন্যদিকে, অ্যাটলেটিকো গ্রিয়েজমানদের পক্ষ থেকে কিছু সুযোগ তৈরি হলেও তারা এই লেগে আর ব্যবধান কমাতে পারেনি। প্রথম লেগের বড় জয়ই শেষ পর্যন্ত তাদের রক্ষা করেছে।
ম্যাচ শেষে অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক মুসো জানান, হয়তো এটি তাদের সেরা পারফরম্যান্স ছিল না, তবে ১৮০ মিনিটের লড়াই শেষে তারাই ফাইনালে উঠেছে। অন্যদিকে, বার্সার রাফিনহা দলের ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতায় গর্ব প্রকাশ করলেও, ফাইনালে না উঠতে পারার হতাশা চেপে রাখতে পারেননি।
আগামী ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ মুখোমুখি হবে রিয়াল সোসিয়েদাদ অথবা অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের মধ্যে বিজয়ী দলের। অন্যদিকে বার্সেলোনার জন্য এটি এক হতাশাজনক বিদায়, যেখানে জয় দিয়েও তারা স্বপ্ন পূরণে ব্যর্থ হলো।





