তামাক নিয়ন্ত্রণে সরকার আন্তরিক: চিফ হুইপ, যা বললেন জানলে চমকে যাবেন!

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকার তামাক নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত আন্তরিক। তিনি জানান, সরকার তামাকের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নির্মূলের চেষ্টা করবে। যদি নির্মূল করা সম্ভব না-ও হয়, অন্ততপক্ষে এর ব্যবহার আর বাড়তে দেওয়া হবে না। চিফ হুইপ বলেন, মানবসম্পদকে রক্ষা করতে হলে তামাক রোধ করা জরুরি, কারণ মানবসম্পদ ছাড়া আমাদের আর কোনো সম্পদ নেই।
শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার আইন’ শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। চিফ হুইপ বলেন, তামাক খেলে যে ক্ষতি হয় তা সবাই জানে। বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ায় এখানে একজন তামাক সেবন করলে পাশের দশজন আক্রান্ত হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, তামাক নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলেও কিছু পক্ষ এর বিরোধিতা করে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান’ স্লোগানের নিচে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়।
তামাক চাষীদের উদ্দেশে চিফ হুইপ বলেন, কেন তামাক চাষ করবেন? এর বদলে অন্য ফসল চাষ করুন। তামাক রোধের কোনো বিকল্প নেই জেনেও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে তামাকজনিত রোগে নারীদের মৃত্যুহার উদ্বেগজনক, যা কমাতে কঠোর আইন প্রয়োজন। ২০০৫ সালে বিএনপি সরকারের সময়ই টেলিভিশনে তামাকের বিজ্ঞাপন বন্ধ করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়, যেখানে সিগারেটের ক্ষতি, আইনের প্রয়োজনীয়তা এবং সহযোগিতার বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে। চিফ হুইপ প্রধানমন্ত্রীকে দেশের সকল মানুষের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করেন এবং তার সংবেদনশীলতার কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তামাক নিয়ন্ত্রণে বিএনপি সরকারের পদক্ষেপ, তামাক ব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র ও ক্ষতি তুলে ধরা হয়। সভায় তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৫ কে আইনে রূপান্তরের জোর দাবি জানানো হয়।





