সংরক্ষিত আসনে বিএনপির কি হচ্ছে? বড় চাপে দল, মনোনয়ন প্রত্যাশীর ঢল!

দেশের রাজনীতিতে অন্যতম আলোচিত সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে এখন তুমুল ব্যস্ত বিএনপি। দীর্ঘদিন আন্দোলন-সংগ্রামের পর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সংরক্ষিত আসনে নিজেদের জায়গা করে নিতে দলের ভেতরে শুরু হয়েছে ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত বহু নেত্রী এই প্রত্যাশা নিয়ে মাঠে নামায়, তাদের মধ্যে থেকে যোগ্য প্রার্থী বাছাই করা বিএনপির জন্য এক বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দলীয় সূত্রমতে, রাজপথে সক্রিয় এবং বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠন থেকে উঠে আসা নেত্রীরা এই মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। পাশাপাশি, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ এবং সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী নেত্রীরাও আলোচনায় স্থান পেয়েছেন। অনেকে দলীয় শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজেদের প্রার্থিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।
নির্বাচন কমিশন আগামী ৭ থেকে ১০ এপ্রিলের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা করেছে। এই আসনগুলোতে বিএনপি জোট ৩৫টি এবং জামায়াত জোট ১৩টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রার্থীর যোগ্যতা, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবদান, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা ও ত্যাগের বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে। এছাড়া, নারী নেতৃত্বের বিকাশ ও তরুণদের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া এবং সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্যরাও এবার অগ্রাধিকার পেতে পারেন। অতীতে আন্দোলনে নিহত বা আহত সিনিয়র নেতাদের পরিবারের সদস্যদেরও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
তবে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুমোদন সাপেক্ষে নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণার পরই এই বিষয়ে দলের অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।





