শেরপুর-১ আসনে কারচুপির অভিযোগ: নথি হেফাজতে হাইকোর্ট

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-১ আসনের সব ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এই নির্দেশ প্রদান করা হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে দায়ের করা আবেদন শুনানির জন্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে একটি বিশেষ ‘নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল’ গঠিত হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক বেঞ্চ এসব আবেদনের শুনানি গ্রহণ করছেন। বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, শেরপুর-১ আসনে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে তারা আদালতে আবেদন করে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট জারি করেন। তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় এখনো দু’টি আসনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হয়নি, যা নির্বাচনী ফলাফলের বৈধতা নিয়ে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দিচ্ছে।
শেরপুর-১ আসনের নথি হাইকোর্টের হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশনার ফলে এই আসনের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়ে নতুন করে তদন্তের পথ খুলে গেল। সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচন ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, এবং এই মামলার চূড়ান্ত রায় ভবিষ্যৎ নির্বাচনগুলিতেও প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





