বুয়েটে তারাবির নামাজে নাসিরুদ্দিন, কঠোর বার্তা কর্তৃপক্ষের

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে তারাবির নামাজ আদায় করতে গিয়ে কর্তৃপক্ষের কড়া বার্তার মুখে পড়েন আলোচিত ব্যক্তিত্ব নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। বুয়েটের অরাজনৈতিক পরিবেশ বজায় রাখার জন্য তাকে ক্যাম্পাসের ভেতরে কোনো বক্তব্য দেওয়া বা মিডিয়া ব্রিফিং না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এই নির্দেশনা মেনে চলেন।
ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বুয়েটের কয়েকজন শিক্ষার্থীর আমন্ত্রণে তারাবির নামাজ আদায় করতে ক্যাম্পাসে যান। সেখানে তাকে জানানো হয়, অরাজনৈতিক ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের বক্তব্য দেওয়া যাবে না। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তা মেনে নিয়ে শুধু নামাজ আদায় করে ফিরে যাওয়ার কথা বলেন। নামাজ শেষে বেরিয়ে আসার সময়ও তাকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় যে, তিনি কোনো বক্তব্য বা মিডিয়া ব্রিফিং করতে পারবেন না। এই নির্দেশনাও তিনি সম্মানের সাথে গ্রহণ করেন। ক্যাম্পাসে অবস্থানকালে তিনি কেবল শহীদ আবরার ফাহাদ এবং শহীদ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া করেন।
পরে ক্যাম্পাসের বাইরে পলাশী মোড়ে এসে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী একটি প্রেস ব্রিফিং করেন এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কয়েকজন সমর্থক “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” স্লোগান দিতে শুরু করলে তিনি নিজেই তাদের থামিয়ে দেন।
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, তিনি বুয়েটের অরাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ সম্মান করেন এবং তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও জানান, তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের কথা শোনা যাচ্ছে এবং তিনি তা স্বাগত জানান। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বর্ণিত কাজগুলো যদি অপরাধ হয়ে থাকে, তবে কর্তৃপক্ষ শাস্তি দিতে পারে।
উল্লেখ্য, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ‘রিহলা-এ-তারাবি’ নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছেন, যার মাধ্যমে তিনি ৩০ দিনে ৩০টি ভিন্ন মসজিদে তারাবির নামাজ আদায় করবেন বলে জানিয়েছেন





