ঢাকা-১৩ আসনে ‘রেজাল্ট ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ লেবার পার্টির

বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা-১৩ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী ফলাফলকে কেন্দ্র করে ‘রেজাল্ট ইঞ্জিনিয়ারিং’ এবং রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারের’ তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। আজ (সোমবার) এক যুক্ত বিবৃতিতে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, ফলাফল ঘোষণার প্রক্রিয়ায় বৈধ ভোট বাতিল করা, ফলাফল শিটে টেম্পারিং ও ওভাররাইটিং করা এবং আকস্মিকভাবে ফল পরিবর্তন করা—এগুলো কেবল প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, বরং একটি সুপরিকল্পিত ফলাফল বিকৃতির নীলনকশার অংশ। তাদের অভিযোগ, একাধিক গণমাধ্যমে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশের পর হঠাৎ করে সংশোধিত ফলাফল ঘোষণা এবং দ্রুত গেজেট প্রকাশ জনগণের স্বচ্ছ রায়কে আড়াল করার অপচেষ্টা।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তি যখন জনগণের সমর্থন মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়, তখন তারা মামলা-হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের আশ্রয় নেয়। একজন জনপ্রিয় নেতাকে মামলার হুমকি দিয়ে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা গণতন্ত্রের প্রতি প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ। এটিকে নিছক ব্যক্তিগত আক্রমণ না বলে জনগণের ভোটাধিকারের ধারাবাহিক হরণ হিসেবে দেখছে লেবার পার্টি।
তারা সতর্ক করে বলেন, অতীতে ফ্যাসিবাদী শাসনামলে যেভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন করতে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তির যেকোনো অপচেষ্টা জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে। নির্বাচন কমিশন যদি নিরপেক্ষতা হারিয়ে জনগণের রায় রক্ষায় ব্যর্থ হয়, তবে তা রাষ্ট্রের আস্থার গভীর সংকট তৈরি করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
লেবার পার্টি অবিলম্বে ঢাকা-১৩ আসনের ফলাফল নিয়ে নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিচারিক মানদণ্ডে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহিতা এবং প্রকৃত ফলাফল পুনর্মূল্যায়নের দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় গণতান্ত্রিক আন্দোলন আরও তীব্র হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ আরও সতর্ক করেন যে, জনগণের রায় ‘ডাকাতি’ এবং রাজনৈতিক মিথ্যাচারের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে এর দায়ভার সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে।





