১৭৫ দিন পর মুক্ত আ. লীগ নেতা, ফুল দিয়ে স্বাগত জানালেন বিএনপি এমপি

ফরিদপুর-৪ আসনের সীমানা জটিলতা নিয়ে আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হওয়া আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান ম ম সিদ্দিক মিঞা দীর্ঘ ১৭৫ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে ফরিদপুর জেলা কারাগার থেকে বের হওয়ার পর তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওই আসনের বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।
সিদ্দিক মিঞা ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক। জানা যায়, ফরিদপুর-৪ আসন থেকে আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা-সালথা) আসনের সঙ্গে যুক্ত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন গড়ে ওঠেছিল, তার অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন সিদ্দিক মিঞা। গত বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ তাকে আটক করে এবং পরে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
উচ্চ আদালতের রায়ে ফরিদপুর-৪ আসনের আলগী ও হামিরদী ইউনিয়ন পুনরায় এই আসনের সঙ্গেই যুক্ত হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয়রা কয়েক দফায় ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে ব্যাপক আন্দোলন চালিয়েছিল।
মুক্তির পর সিদ্দিক মিঞা তার মুক্তির জন্য নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে আন্দোলনের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের আইনি সহায়তার মাধ্যমে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছিলেন। সিদ্দিক মিঞার মুক্তি সেই প্রতিশ্রুতিরই অংশ এবং বাকি আসামিদের মুক্তির জন্যও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সিদ্দিক মিঞার মুক্তি এবং বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যের এই উদ্যোগ স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। আন্দোলনের জেরে গ্রেপ্তার হওয়া বাকিদের আইনি প্রক্রিয়া কত দ্রুত সম্পন্ন হয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।





