আলেকজান্ডারও যে ভয় পেত! ঢাকায় লুকিয়ে ছিল সেই ভয়ংকর রাজ্যের রাজধানী?

প্রাচীনকালে বাঙালি বীরত্বের যে প্রবল প্রতাপ ছিল, তার এক গৌরবময় প্রতিচ্ছবি গঙ্গাঋদ্ধি রাষ্ট্র। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে বাংলাদেশ জুড়ে এর গৌরবময় উপস্থিতি ছিল। সেই ঐতিহাসিক সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্রটির নাম ছিল গঙ্গাঋদ্ধি। সমসাময়িক গ্রিক ও লাতিন পর্যটক, ভূগোলবিদ ও পণ্ডিতদের কলমে এ জাতির শৌর্যবীর্য ও জ্ঞান-গরিমার সপ্রশংস চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। তবে এবার নতুন তথ্য উঠে এসেছে, যা বলছে ঢাকার বুকেই হয়তো লুকিয়ে ছিল সেই রাজ্যের রাজধানী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গঙ্গাঋদ্ধি রাষ্ট্রের উদ্ভব, বিকাশ ও সমৃদ্ধি বাঙালির ইতিহাসের স্পষ্ট উষাকাল। ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীকেই অনেকে প্রাচীন পদ্মা-গঙ্গার মূলধারা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। সম্প্রতি প্রত্নতাত্ত্বিক খননে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় পাওয়া গেছে আড়াই হাজার বছরের পুরোনো মানববসতির আলামত। এই আবিষ্কার ঢাকাকে কেবল কয়েকশ বছরের ইতিহাস নয়, বরং এক সুদূর অতীতের সমৃদ্ধ নগর হিসেবে তুলে ধরেছে। এই বাণিজ্যপথ বা সিল্ক রুটের সঙ্গে উয়ারী-বটেশ্বর, পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড়ের মতো প্রাচীন প্রত্নস্থানগুলোর সম্ভাব্য বাণিজ্যিক যোগাযোগের ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে।
এই নতুন তথ্যের আলোকেই ঐতিহাসিকরা প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি ঢাকাই ছিল সেই শক্তিশালী গঙ্গাঋদ্ধি রাষ্ট্রের রাজধানী? এই আবিষ্কারের ফলে বাংলার প্রাচীন ইতিহাস নিয়ে নতুন করে গবেষণার দ্বার খুলেছে।





