৪৪৪ বছরের পুরনো মসজিদ! সংস্কারের অভাবে যা হচ্ছে… অবাক হবেন

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা সদরের খোন্দকার টোলা মহল্লায় অবস্থিত খেরুয়া মসজিদটি চার শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ঐতিহ্যের সাক্ষী। প্রায় ৪৪৪ বছর আগে সুলতানি আমলের স্থাপত্য রীতিতে নির্মিত এই মসজিদটি নিয়ে নানা তথ্য পাওয়া গেলেও, প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে এর বর্তমান অবস্থা শোচনীয়।
মসজিদটির সামনে সবুজ ঘাসে ঢাকা খোলা মাঠ, চারদিকে লোহার রেলিং এবং নানা রকম ফুল ও ফলের গাছে ঘেরা প্রাঙ্গণ। চার কোণে চারটি মিনার এবং তিনটি গম্বুজ এর সৌন্দর্যকে বিশেষভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। যদিও দেয়ালের নকশা ও খোদাই করা লিপি সময়ের সাথে ক্ষয়ে গেছে, তবুও এর প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এখনো মুগ্ধ করার মতো। প্রবেশদ্বারের পাশের দেয়ালে থাকা শিলালিপি থেকে জানা যায়, ১৫৮২ সালে মির্জা মুরাদ খান কাকশালের পৃষ্ঠপোষকতায় আবদুস সামাদ ফকির এটি নির্মাণ করেন।
তবে, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে থাকা সত্ত্বেও সংস্কারের অভাবে মসজিদটির ছাদের ফাটল দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাবে বর্ষাকালে আঙিনা ডুবে যাচ্ছে। ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি নিয়ে আরো গবেষণা হলে এর অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা যায়। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সভ্যতার বিকাশে এই মসজিদের গুরুত্ব অপরিসীম। আধুনিক পরিকল্পনা অনুযায়ী দ্রুত সংস্কার করা হলে এটি পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।





