দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মন্ত্রী বলছেন “সব স্বাভাবিক”: যা ঘটছে আসলে?

দেশজুড়ে ভয়াবহ জ্বালানি তেলের সংকট চলছে। পরিস্থিতি উন্নতির কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, বরং দিন দিন ভোগান্তি বাড়ছে। তেলচালিত গাড়ি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন মালিক ও চালকরা। জরুরি প্রয়োজনেও গাড়ি বের করা যাচ্ছে না। পেট্রোল পাম্পগুলোর সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন অনেকে। ঢাকা শহর ও এর আশেপাশের পেট্রোল পাম্পগুলো দিনের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকছে। এর ফলে রাজধানীসহ সারা দেশের সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল একেবারেই কমে গেছে।
যদিও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের হাতে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে এবং আমদানিও স্বাভাবিক। জ্বালানি মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, সংকট নিরসনে তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন এবং দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
কিন্তু মাঠের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। অধিকাংশ পেট্রোল পাম্প বন্ধ রয়েছে এবং যেগুলো খোলা আছে সেখানেও মিলছে না পর্যাপ্ত তেল। দেশের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি নিয়ে সহিংস ঘটনাও ঘটছে। পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির নেতারাও বলছেন, চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম তেল পাচ্ছেন তারা।
সরকার সংকটকে কৃত্রিম বলছে এবং অবৈধ মজুতদারি ও কালোবাজারিকে এর জন্য দায়ী করছে। সারা দেশে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল উদ্ধার করা হয়েছে এবং মজুতদারদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
ভবিষ্যতে এই সংকট মোকাবেলায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে আরো জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এত কিছুর পরও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কবে কমবে?





