জাতীয়

সেনাবাহিনীর ভেতর যা ঘটল! ৩০ বছরের চাকরি ছেঁটে ফেলা হলো হঠাৎ

সেনাবাহিনীর ত্রিশ বছরের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের ইতি টানতে হলো এক কর্মকর্তাকে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পার্লামেন্টারি স্টাডিজের (বিআইপিএসওটি) কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি অনুভব করেন অস্বাভাবিক পরিবেশ। একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বুঝতে পারেন, তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ডিজিএফআইয়ের একটি ইউনিট তাকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছিল।

অভিযোগহীনভাবে, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মুবিনও এর স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। বিষয়টি আরও বেদনাদায়ক হয়ে ওঠে যখন জানা যায়, একই সময়ে তার পদোন্নতির প্রক্রিয়াও চলছিল। দীর্ঘ তিন দশকের নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের মূল্যায়ন হওয়ার কথা থাকলেও, তার পরিবর্তে তিনি পান নীরবতা ও ছাঁটাই।

পরবর্তীতে জানা যায়, ডিজিএফআইয়ের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার বানোয়াট প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এই ঘটনা কেবল একজন কর্মকর্তার জীবনেই প্রভাব ফেলেনি, বরং এমন একটি প্রবণতার ইঙ্গিত দেয় যেখানে পেশাদারিত্বের চেয়ে প্রভাব ও সুবিধাবাজ গল্প বেশি গুরুত্ব পায়। হঠাৎ চাকরি হারিয়ে লেখক ও তার পরিবারকে কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হতে হয়। তবে তিনি ন্যায়বিচারের উপর আস্থা রেখে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন। এই ঘটনা তাকে শিখিয়েছে ক্ষমতা ও পদ স্থায়ী নয়, এবং ক্ষমতার অপব্যবহার একটি নৈতিক অপরাধ।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button