মিয়ানমারে সংঘাত, কোটি রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে শঙ্কা! শেষ পর্যন্ত কী হবে?

পররাষ্ট্র মন্ত্রী খলিলুর রহমানের দেওয়া তথ্যে জানা গেছে, মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের কারণে এখনই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, যদিও মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও সংঘাত চরমে, তবুও বাংলাদেশ সরকার পূর্বের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট: রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হলো নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা ও সমর্থন জোরদার করার পাশাপাশি কূটনৈতিক, আইনি ও মানবিক সব উদ্যোগ জোরদার রাখবে বাংলাদেশ।
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, ১৯৭৮ ও ১৯৯২ সালে বিএনপি সফলভাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করতে সক্ষম হয়েছিল। বাংলাদেশ সরকার নিয়মিতভাবে মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে তথ্য যাচাই করছে। এ পর্যন্ত আট লাখ ২৯ হাজার ৩৬ জন রোহিঙ্গার তথ্য মিয়ানমারকে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে তিন লাখ ৫৪ হাজার ৭৫1 জনের তথ্য যাচাই সম্পন্ন হয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত মিয়ানমার সরকার মাত্র দুই লাখ ৫৩ হাজার ৯৬৪ জনকে ‘পূর্বে মিয়ানমারে বসবাসকারী ব্যক্তি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ নৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থন প্রদান করছে। নেদারল্যান্ডসের হেগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলা পরিচালনায় বাংলাদেশ আর্থিক সহায়তাও দিচ্ছে।





