সংসদে পানির সংকট চরমে! যা ঘটল রাতে… শিউরে উঠবেন

সংসদ ভবন এলাকায় ভয়াবহ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোদ সংসদ কমিটির সভাপতি ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, গত দুই-তিন দিন ধরে তারা ‘গোলা পানি’ (দূষিত বা পান করার অনুপযোগী পানি) পাচ্ছেন। এই পানি পানের কারণে তার নিজেরও পেটের সমস্যা হয়েছে।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চিফ হুইপ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, সংসদ ভবন এলাকায় প্রতিদিন ১ কোটি লিটার পানির চাহিদা থাকলেও মাত্র ২৭ লাখ লিটার পানি উৎপাদন হচ্ছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত কম। এই সংকট সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
সংসদ সদস্যদের আবাসন, নিরাপত্তা, হাসপাতালের প্রয়োজনীয়তা, সাউন্ড সিস্টেমের ত্রুটিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। চিফ হুইপ জানান, সংসদ সদস্যদের আবাসন নিশ্চিত করা হবে এবং হাসপাতালের জন্য একটি আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী ফ্রিজিং গাড়ি কেনার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সংসদের সাউন্ড সিস্টেমের স্থায়ী সমাধানের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের প্রতিবেদন আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে জমা দেওয়ার কথা।
বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যদের সময় বরাদ্দ নিয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাধারণত বিরোধী দলই সংসদে বেশি কথা বলে এবং তাদের সেই সুযোগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিশেষ করে বাজেট অধিবেশনে বিরোধী দলগুলো সময় পায় এবং তা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতে পারে।
বৈঠকে সংসদ অধিবেশন কক্ষের সাউন্ড সিস্টেমের সমস্যা চিহ্নিত করতে এবং সংসদ ভবনের ক্যান্টিনের খাবারের মান, সরবরাহ লাইনের পানির মান ও ব্যবহৃত আসবাবপত্রের গুণগত মান যাচাই করার লক্ষ্যে দুটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ভবনের জন্য আসবাবপত্র কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার এবং বালিশ, পর্দা ও অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়ে যেন কোনো অনিয়ম না হয়, সে বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। আসবাবপত্রের গুণগত মান ভালো রাখা এবং ক্রয়মূল্য যুক্তিসংগত রাখার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে।





