জাতীয়

হঠাৎ ঈদ! দেশজুড়ে যা ঘটল, অনেকেই জানেন না!

দেশের বিভিন্ন স্থানে সৌদির সাথে মিল রেখে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে কতিপয় মুসলিম সম্প্রদায়। শুক্রবার সকালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্তত ১১টি জেলার বিভিন্ন স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার শেখ জনুরুদ্দীন (রহ:) দারুল কুরআন মাদ্রাসায় শুক্রবার সকালে পবিত্র ঈদের জামাত আদায় করা হয়। এই জামাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুসল্লি অংশ নেন। দেশের অন্য অঞ্চলের মধ্যে চাঁদপুর, বগুড়া, নওগাঁ, দিনাজপুর, জামালপুর, ফরিদপুর, মৌলভীবাজার, ঝালকাঠি, কিশোরগঞ্জ, পটুয়াখালী এবং মাদারীপুরের বিভিন্ন গ্রামে ও শহরে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বগুড়ার গাবতলী, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার কয়েকটি গ্রামে নারী ও শিশুসহ দেড় শতাধিক মুসল্লি সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করেন। চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার প্রায় ৪০টি গ্রামে ঈদ পালিত হয়। এখানে হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরিফে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি ১১ বছর ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন।

দিনাজপুরের সদরসহ ছয়টি উপজেলায় মুসল্লিদের একটি অংশ ঈদ পালন করে। মাদারগঞ্জ উপজেলায়ও একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৯টি গ্রামে পাঁচ শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। মৌলভীবাজার, ঝালকাঠির রাজাপুর, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ৭ গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ আগাম ঈদ উদযাপন করেছেন। মাদারীপুরে জেলার ২৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ পালন করেছেন, যেখানে সদর উপজেলার তাল্লুক গ্রামে একটি বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

যারা মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন, তারা চাঁদ দেখা কমিটি নয় বরং স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার খবর বা প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে থাকেন। দেশের বেশিরভাগ মানুষ শনিবার ঈদ উদযাপন করলেও, এই অংশের মানুষের জন্য শুক্রবারই ছিল আনন্দের দিন।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button