পদ্মা সেতুতে ৪ কোটি টাকার ট্রাফিক, কিন্তু কি জট পরিষ্কার?

ঈদের তৃতীয় দিনে পদ্মা সেতুতে যানজট নিয়ে মানুষের মুখে ভয় থাকলেও আজকের পরিস্থিতি বিষয়ক কোনো বড় বিরোধ নেই। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা সেতু থেকে মাওয়া এবং জাজিরা টোল প্লাজাগুলো দিয়ে বিশাল টোল সংগ্রহ হয়েছে। তবে একই সময়ে যাত্রার দক্ষতা নিয়েও কিছু যাত্রীর মধ্যে আপত্তি রয়েছে।
সূত্রমতে, পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদ বলেন, ঈদের সকাল থেকে সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যাত্রীরা ঢেলে পড়েছে পদ্মা সেতু দিয়ে। এই অচলাবস্থায় সংস্থাটি ১৯টি টোল বুথ চালু রেখেছে, যার মাধ্যমে টোল সংগ্রহ দ্রুততর করা হচ্ছে। এর ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১ হাজার ৮৫০ টি যানবাহন পারাপার করা হয়েছে এবং মোট টোল আয় হয়েছে ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৫ হাজার ৫০ টাকা।
পদ্মা সেতু পারাপারের স্বচ্ছতার কথা জানিয়ে প্রশাসন বলেছে, নিয়মিত বুথ চালানোর কারণে যানবাহনের সারিতে জট জড়ো হওয়ার ঝুঁকি কমিয়েছে। ফলে বিকেলে দেখা যায়, যাত্রীরা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পেরেছেন।
কিন্তু যাত্রার সুবিধা নিয়ে মানুষের মনে এক ধরনের বিভ্রান্তি আছে। বেশি দামে ভাড়া নিতে না পারা বা প্রয়োজনীয় বাস না পাওয়ায় বাসিন্দারা এখানে ক্লান্ত। স্থানীয় মানুষ জানায়, প্রয়োজনীয় গাড়ি পাওয়া কঠিন হওয়ায় তারা তীব্র মর্মাহত। এমনকি পদ্মা সেতুর উত্তর থানার মোড়ে ট্রাম্প ও মোটরসাইকেলে করে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে দেখা যায়। স্থানীয় মানুষ কারিগর, শ্রমিক ও অফিসকর্মীদের বিশেষ করে অন্য পথে ভাড়া নিয়ে ঝামেলায় পড়তে দেখা যায় এই সময়ে।





