যুদ্ধ জটিলতায় জ্বালানি সংকট? চীনসহ কয়েকটি দেশের কাছে সহায়তা চাইল সরকার

ইরান যুদ্ধের কারণে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার চীনসহ কয়েকটি দেশের কাছে সহায়তা চেয়েছে। সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে শুধু চীন নয়, যেসব দেশ জ্বালানি সরবরাহ করে, তাদের সবার কাছেই সরকার সহায়তা চাচ্ছে এবং আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এটি বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে সুরক্ষিত রাখার একটি সক্রিয় প্রচেষ্টা।
এই যুদ্ধ পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ করে জ্বালানি খাতে গভীর প্রভাব ফেলছে। যেকোনো সম্ভাব্য জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং শিল্প উৎপাদন সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি বা এর অপ্রাপ্যতা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সরকারের এই পদক্ষেপ সেই সম্ভাব্য প্রভাব কমানোর উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব মাথায় রেখে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রক্ষেপণ তৈরি করা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাই সতর্ক থেকে কাজ করছে, যা সরকারের দূরদর্শিতা এবং দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান অস্থিরতার কারণে উদ্ভূত এই সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকারের এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে। তবে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং এই সংকট কতটা সফলভাবে মোকাবিলা করা যায়, সেদিকেই এখন সবার দৃষ





