ফ্যামিলি কার্ডের দীর্ঘ অপেক্ষা শেষ? যেসব এলাকায় কাল থেকে পাচ্ছেন নাগরিকরা…

আগামীকাল মঙ্গলবার (৯ মার্চ, ২০২৬) থেকে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর কড়াইল এলাকায় নারীদের হাতে এই কার্ড তুলে দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।
প্রাথমিকভাবে দেশের ১৪টি নির্দিষ্ট এলাকায় এই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী কেনার সুযোগ পাবে, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় কিছুটা স্বস্তি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যেসব এলাকায় প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে, সেগুলোর একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজধানী ঢাকার দুটি বস্তি এলাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলার পৌরসভা ও ইউনিয়ন।
এলাকাগুলো হলো:
১. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বনানী (কড়াইল বস্তি, সাততলা বস্তি, ভাষানটেক বস্তি)।
২. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার মিরপুর (অলিমিয়ারটেক ও বাগানবাড়ী বস্তি)।
৩. ঢাকা বিভাগের রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়ন।
৪. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকা।
৫. চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সদর পৌরসভা।
৬. চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন।
৭. খুলনা বিভাগের খালিশপুর থানার খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকা।
৮. বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানার আসলামপুর ইউনিয়ন।
৯. সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার কুলঞ্জ ইউনিয়ন।
১০. ময়মনসিংহ বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানার শিমুলকান্দি ইউনিয়ন।
১১. রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার বগুড়া সদর থানার শাখারিয়া ইউনিয়ন।
১২. রাজশাহী বিভাগের নাটোর জেলার লালপুর থানার ঈশ্বরদী ইউনিয়ন।
১৩. রংপুর বিভাগের ঠাকুরগাঁও জেলার ঠাকুরগাঁও সদর থানার রহমানপুর ইউনিয়ন।
১৪. রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার জয়পুর ইউনিয়ন।
ফ্যামিলি কার্ডের এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সফল হলে পর্যায়ক্রমে এটি সারাদেশে সম্প্রসারিত হবে বলে সরকার জানিয়েছে। এর ফলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ উপকৃত হবে বলে আশা করা যায়। তবে, বিতরণের স্বচ্ছতা ও প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে কার্ড পৌঁছানো নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছু প্রত্যাশা ও দুশ্চিন্তা রয়েছে, যার দিকে কর্তৃপক্ষের নিবিড় দৃষ্টি রাখা জরুরি।





