খামেনির মৃত্যু: অন্তর্বর্তী পরিষদের প্রথম বার্তা, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি!

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে একটি তিন সদস্যের অন্তর্বর্তী পরিষদ গঠিত হয়েছে। এই পরিষদের অন্যতম সদস্য এবং ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেইন মোহসেনি-ইজেই তার প্রথম বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
ইরনার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোহসেনি-ইজেই তার প্রথম মন্তব্যে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘মুসলিম জাতির কোলে বড় হওয়া মহান মুজাহিদিনদের দৃঢ় ইচ্ছাশক্তিকে হামলার মাধ্যমে কখনোই ব্যাহত করতে পারবে না’। এই বার্তা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা।
খামেনির মৃত্যুর পর গঠিত এই অন্তর্বর্তী পরিষদ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইরানের সংবিধানের ১১১ ধারা অনুযায়ী, নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জুরি সাময়িকভাবে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন। এই তিন সদস্যের পরিষদই এখন দেশটির নেতৃত্ব দিচ্ছে।
গতকালের হামলার পর থেকে ইরানের সংসদ, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের প্রধানদের প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, তারাও এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে থাকতে পারেন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এই পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন করে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, কারণ দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এখন এক নতুন প্রশ্নের মুখে।





