হামলা চালালেই ধ্বংস হবে ইরান? ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে বিশ্ব…

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ। মার্কিন ও ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের বড় ধরনের হামলার হুমকির পর এবার পাল্টাপাল্টি হুঁশিয়ারিতে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান যদি পাল্টা হামলার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের এমন ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে যা ইতিহাস আগে কখনও দেখেনি।
ঘটনার সূত্রপাত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর। এই ঘটনার পর ইরানজুড়ে শোকের আবহ থাকলেও দেশটির সামরিক বাহিনী ‘কঠোর প্রতিশোধ’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে ইরানকে চরম সতর্কবার্তা দেন। ট্রাম্প লিখেছেন, ‘পাল্টা হামলা না করাই তাদের জন্য ভালো হবে। যদি তারা তা করে, তাহলে আমরা এমন শক্তি দিয়ে আঘাত করব যা আগে কখনও দেখা যায়নি!’
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার চূড়ান্ত ছক কষেছে। শুধু মার্কিন ঘাঁটিই নয়, ইসরাইলের তেল নফ বিমানঘাঁটি, তেলআবিবের হাকিরিয়ায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তর এবং একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সে ‘বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন’ হামলার দাবি করেছে ইরান।
এই চরম উত্তেজনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত লাখো প্রবাসী বাংলাদেশি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যুদ্ধের এই দামামা বিশ্ববাজারে তেলের দাম ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ট্রাম্পের এই কঠোর অবস্থানের পর ইরান কি সত্যিই পিছু হটবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্য এক দীর্ঘস্থায়ী ধ্বংসযজ্ঞের দিকে এগিয়ে যাবে—এখন সেই চিন্তায় ঘুম উড়েছে বিশ্ববাসীর। পরিস্থিতির মোড় কোন দিকে ঘোরে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরাজ করছে গভীর উৎকণ্ঠা।





