সব মার্কিন ঘাঁটি এখন লক্ষ্যবস্তু, যুদ্ধের নতুন মোড়…

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাত এবার এক ভয়াবহ রূপ নিতে যাচ্ছে। ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ‘বিপ্লবী গার্ডস’ (IRGC) স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, এই অঞ্চলে থাকা প্রতিটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ এবং স্বার্থ এখন থেকে তাদের জন্য ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবেই এই মারমুখী অবস্থান নিয়েছে তেহরান।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইরান। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সরাসরি আঘাত হেনেছে ইসরায়েলি ও মার্কিন বিভিন্ন ঘাঁটিতে। বিপ্লবী গার্ডসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের এই প্রতিশোধমূলক অভিযান ততক্ষণ থামবে না, যতক্ষণ না শত্রু পক্ষ চূড়ান্তভাবে পরাজিত হচ্ছে।
এই যুদ্ধের আঁচ এখন আর নির্দিষ্ট কোনো ভূখণ্ডে সীমাবদ্ধ নেই। ইসরায়েলের পাশাপাশি কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি এবং স্থানীয় নাগরিকদের ওপর এই যুদ্ধের কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় সংশয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি এই হামলা অব্যাহত থাকে, তবে তা বিশ্ব অর্থনীতি এবং তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। এখন সবার চোখ পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে—মধ্যপ্রাচ্য কি তবে এক দীর্ঘস্থায়ী ধ্বংসযজ্ঞের পথে?





