ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: পাল্টা হামলার দাবি, তেহরানে বিস্ফোরণ!

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরান থেকে ইসরাইলের দিকে অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বেজে উঠেছে। এর পরপরই ইসরাইল ইরানে ‘প্রতিরোধমূলক হামলা’ শুরু করার দাবি করেছে, যা ঘিরে তেহরানে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর হতে শনাক্ত করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিকদের ‘হোম ফ্রন্ট কমান্ড’র নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ইসরাইলি বিমান বাহিনী সম্ভাব্য হুমকি প্রতিহত ও প্রয়োজনে মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে। তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অভেদ্য না হওয়ায় জনগণের সতর্কতা অবলম্বন অত্যন্ত জরুরি।
অন্যদিকে, ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ শনিবার সকালে এক জরুরি বিবৃতিতে ইরানে ‘প্রতিরোধমূলক হামলা’ শুরুর দাবি করেন। এই ঘোষণার পরপরই তিনি সমগ্র ইসরাইল জুড়ে ‘বিশেষ ও স্থায়ী জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণ মোকাবিলায় ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমগুলো তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবর জানিয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তেহরানের রিপাবলিক এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে দেখা গেছে।
এই সামরিক সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নতুন করে জটিল আকার ধারণ করেছে। সরাসরি সামরিক সংঘাতের এই ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার ওপর এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও গভীর দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে। উভয় দেশ পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়, সেদিকেই এখন সবার নজর।





