‘ধৈর্যের সীমা শেষ’, আফগানিস্তানকে ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের…

সীমান্তে ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের কালো মেঘ। প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানের সঙ্গে চলমান বিরোধ এখন চরম সংঘাতের রূপ নিয়েছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে যে কোনো আগ্রাসী শক্তিকে চূর্ণ করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ইসলামাবাদ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের সার্বভৌমত্বে আঘাত হানলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী যে কোনো ধরনের অশুভ পরিকল্পনা প্রতিহত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি দাবি করেন, দেশের জনগণ সেনাবাহিনীর পাশে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে। তবে এই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টা আগেই কাবুলের আকাশ কাঁপিয়ে আফগানিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান। ফলে সীমান্তজুড়ে এখন লাশের গন্ধ আর ধ্বংসের রণহুঙ্কার।
পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর দিকে মোড় নেয় যখন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি ‘খোলা যুদ্ধ’ শুরুর ঘোষণা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, পাকিস্তানের ধৈর্যের সীমা পার হয়ে গেছে এবং এখন থেকে তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্মুখ লড়াই শুরু হলো।
দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি সামরিক অবস্থানে সীমান্তবর্তী সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সংঘাত থামানো না গেলে পুরো দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। এখন সবার মনে একটাই প্রশ্ন—এই উত্তেজনা কি শেষ পর্যন্ত একটি রক্তক্ষয়ী মহাযুদ্ধে রূপ নেবে?





