আমেরিকার কারাগারে বাংলাদেশী নয়, এই দেশের নাগরিকরা মারা যাচ্ছে! কী ঘটছে ভেতরে?

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক মেক্সিকান অভিবাসীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার আমেরিকার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) বিষয়টি নিশ্চিত করে। এটি ২০২৬ সালের প্রথম তিনমাসে আইসিইর হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যুর ঘটনা।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইসিই জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলেসের অ্যাডেলান্টো আটক কেন্দ্রের নিরাপত্তাকর্মীরা হোসে গুয়াদালুপে রামোস নামের একজনকে তার বাঙ্কে অচেতন অবস্থায় খুঁজে পান। এরপর তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আইসিই আরও জানায়, তারা গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ক্যালিফোর্নিয়ার টরেন্স শহর থেকে রামোসকে গ্রেপ্তার করে। তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালে মাদক রাখা ও ব্যক্তিগত সম্পদ চুরির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
আইসিই-এর প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ ধরা পড়ে। ২০২৫ সালে অন্তত ৩১ জন আইসিই হেফাজতে মারা গেছেন, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। অধিবাসীদের বিরুদ্ধে এই আটক নীতিকে অনেকেই প্রাণঘাতী বলে আখ্যা দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অ্যাডেলান্টো আটক কেন্দ্রে রামোসের আগে আরও তিনজন মেক্সিকোন নাগরিক মারা যান। ট্রাম্প অবৈধভাবে বসবাসকারী লাখ লাখ অভিবাসীকে আটক ও বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর থেকেই আইসিই’র হেফাজতে থাকা অভিবাসীর সংখ্যা রেকর্ড সংখ্যক পৌঁছেছে। ফেব্রুয়ারির শুরুতে প্রায় ৬৮ হাজার মানুষ এসব আটক কেন্দ্রে আটক ছিলেন। মেক্সিকোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, মেক্সিকো সরকার অভিবাসী বন্দিদের মৃত্যুর বিষয়টি ইন্টার-আমেরিকান মানবাধিকার কমিশনের কাছে তুলে ধরবে।





