যুদ্ধের টাকা চাইতে পারেন ট্রাম্প! উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর বিশাল চাপ?

হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের চলমান যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে অর্থ সহায়তা চাইতে পারেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল হোয়াইট হাউজে এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হন প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। কুয়েত, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) কি যুদ্ধ ব্যয়ের ‘বড় অংশ বহনে’ এগিয়ে আসবে কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ‘প্রেসিডেন্ট এ ধরনের আহ্বান জানাতে আগ্রহী হতে পারেন।’
জানা গেছে, ১৯৯০-৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধেও এই দেশগুলো যুদ্ধ ব্যয়ের একটি বড় অংশ বহন করেছিল। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক জোট সাদ্দাম হোসেনের কুয়েত আক্রমণের পর ইরাককে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল। বর্তমান সংঘাতটি যুক্তরাষ্ট্র শুরু করলেও উপসাগরীয় দেশগুলো শুরু থেকেই এতে অনাগ্রহ দেখায়। তারা আশঙ্কা করছিল, ইরানের পাল্টা হামলার ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির বড় বোঝা তাদেরই বহন করতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, এরই মধ্যে দেশগুলো বড় ধরনের রাজস্ব ও অবকাঠামোগত ক্ষতির মুখে পড়েছে।
গত চার সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ১১ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত না মেনে নেয় এবং হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র ও খার্গ দ্বীপ ‘সম্পূর্ণ ধ্বংস’ করে দেয়া হবে।





