ইরানের ভয়ংকর চাল! হরমুজ প্রণালীতে লাগু হচ্ছে নতুন আইন, মাথায় হাত বিশ্ববাসীর!

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যেই ইরান এক নতুন শর্ত জুড়ে দিয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরির আশঙ্কা জাগাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইসরায়েল যে যুদ্ধ শুরু করেছে, তা বন্ধে ইরান নতুন কিছু শর্ত দিয়েছে। তবে এবার তারা যে শর্ত যোগ করেছে, তা একেবারেই নজিরবিহীন। হরমুজ প্রণালীর উপর ইরানের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি তাদের নতুন দাবি, যা তেহরানের তালিকায় এর আগে ছিল না।
এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি এখন ইরানের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে। ইরান চাইছে এই জলপথ থেকে বার্ষিক শত শত কোটি ডলার আয় করতে এবং বিশ্ব অর্থনীতির উপর চাপ সৃষ্টি করতে। দীর্ঘদিন ধরে ইরান আক্রমণ হলে এই প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছে, কিন্তু এবার তাদের এই দাবি বিশ্ব অর্থনীতিকে আরও বড় সংকটে ফেলতে পারে।
ব্লুমবার্গ ইকোনমিকসের বিশ্লেষকদের মতে, ইরান হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করে রেখেছে। এই প্রণালী বন্ধের প্রভাব দেখে ইরান এখন এটি থেকে আরো বেশি আয়ের উৎস খুঁজছে। এমনকী, এই জলপথ থেকে টোল আদায় শুরু হলে ইরানের মাসিক আয় মিশরীয় সুয়েজ খালকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিএনএনের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন একটি বড় তেল ট্যাংকার থেকে ২০ লাখ ডলার ফি নিলে ইরানের মাসিক আয় ৮০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।





