ইরানি হামলার ভিডিও পোস্ট করলেই চরম বিপদ! উপসাগরীয় দেশগুলোতে চলছে ব্যাপক ধরপাকড়!

উপসাগরীয় দেশগুলো সম্প্রতি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার বিভিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বেশ কয়েকটি দেশ এ সংক্রান্ত ভিডিও বা ছবি শেয়ার করার দায়ে শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইরানের হামলাকে ‘মহিমান্বিত’ করা এবং জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে। কুয়েতে একজন ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন।
এই দমন-পীড়নের পেছনে একাধিক কারণ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত, ইরানের গোয়েন্দারা এসব ভিডিও ব্যবহার করে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চিহ্নিত করে নিজেদের হামলার নির্ভুলতা বাড়াতে পারে। দ্বিতীয়ত, উপসাগরীয় শহরগুলোর নিরাপত্তা ও প্রাচুর্যের ভাবমূর্তি বজায় রাখা, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিনিয়োগকারী ও পর্যটকদের কাছে নিজেদের আকর্ষণীয় দেশ হিসেবে পরিচিতি ধরে রাখতে চায়। যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামলার ভিডিও শেয়ার করার কারণে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট আমিরাতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশটির জাতীয় গণমাধ্যম কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে বলেছে, একটি ছবি বা ভুল তথ্য পুরো সমাজকে অস্থির করে তুলতে পারে।
আমেরিকা ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানের পর শুধু উপসাগরীয় সরকারগুলোই নয়, তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে চাপ সৃষ্টি করছে বিভিন্ন মহল।





