ইরানের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ঘোষণা, যা জানলে শিহরিত হবেন!

যুক্তরাষ্ট্র চলতি সপ্তাহেই ইরানের সাথে বৈঠকে বসার আশা করছে। একই সাথে তারা ১৫-দফা চুক্তির বিষয়ে জবাব পাওয়ার প্রত্যাশা করছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে ইরানের হামলায় অন্তত ১২ জন আমেরিকান সেনা সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুজন সৈন্য ‘খুব গুরুতরভাবে আহত’ হয়েছেন। তবে এই হামলার বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান সফলভাবে এগোচ্ছে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল দেশটির বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। তিনি বলেছেন, ইরানের দুটি বড় ইস্পাত কারখানা, একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বেসামরিক পরমাণু স্থাপনায় হামলা হয়েছে এবং এর যথাযথ জবাব দেওয়া হবে। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ নতুন করে হামলা এবং ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে আসা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, তাদের কাছে ১৫ দফার একটি চুক্তি রয়েছে, যা ইরান বিবেচনা করছে এবং তারা সেখান থেকে একটি জবাব আশা করছেন। ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘ইরানকে চূর্ণ করছে’ এবং ইরান ‘চুক্তি করার জন্য অনুনয় করছে’।
যদিও দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শেষ করতে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে বিভিন্ন পরস্পরবিরোধী তথ্য রয়েছে। ইরান বলছে, কূটনীতি ও হামলা সাংঘর্ষিক। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছেন এবং বলেছেন, এই আক্রমণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কূটনীতির জন্য বাড়ানো সময়সীমার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এ দিকে, সৌদি আরবে যুক্তরাষ্ট্রের ১২ জন সৈন্য ইরানের হামলায় আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রিয়াদের দিকে ধেয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। কুয়েত ও বাহরাইনও ড্রোন প্রতিহত করার তথ্য জানিয়েছে।





