কাতারে গ্যাস হাবে সংঘর্ষের প্রভাবে ইউরোপের বিদ্যুৎ খরচ কি বাড়বে?

আজ উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার বিবাদে কাতারের প্রধান গ্যাস হাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলে ইউরোপীয় বাজারে গ্যাসের দামে এক বিরাট ভারী ওঠানাইয়া দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম তাৎক্ষণিকভাবে ৩৫ শতাংশ বেড়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বৃহস্পতিাবার ব্যারেল প্রতি ১১২ ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৪ ডলার বেশি। পরিস্থিতির এই জটিলতায় ইউরোপের গৃহস্থরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিলে আরো বেশি বোঝা নিতে পারেন। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে গ্যাসের বাজারে এখন প্রবল আক্রোষ তৈরি হয়েছে। সেখানে গ্যাসের দাম প্রতি থার্ম ইউনিট প্রায় ১৭১ পেনি হয়েছে, যা গতকালের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি।
একই সাথে অপরিশোধিত তেলের দামও দিন শেষে ১১৩ ডলারে লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে প্রায় ৫ শতাংশ বেড়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই কোনো প্রথম দফায় গ্যাস ও তেলের দামে এত উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে। কাতারের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই সমস্যার মূল কারণ ইরানের দুই দফা হামলায় কাতারের গ্যাস সাপ্লাই লাইনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
গৃহস্থের বাজেট রক্ষায় এই নতুন খরচের প্রভাব পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দামের ভারী ওঠানাইয়া এখানে থাকতে পারে। পরবর্তী কালে একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বাজার স্থিতিশীল হতে পারে বা আবার নতুন উচ্চতায় ওঠতে পারে।





