গাজায় বিমান হামলা: গর্ভে যমজ সন্তান, ৯ পুলিশসহ নিহত ১৩

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারী, যিনি যমজ সন্তানের মা হতে চলেছিলেন, এবং ৯ জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন।
রোববার গাজার মধ্যাঞ্চলের নুসাইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চারজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন ৩০ বছর বয়সি এক দম্পতি এবং তাদের ১০ বছর বয়সি সন্তান। আল-আকসা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে নিহত নারীর গর্ভে যমজ সন্তান ছিল। প্রতিবেশী মাহমুদ আল-মুহতাসেব জানান, ‘আমরা ঘুমাচ্ছিলাম, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শব্দে উঠে পড়ি। হামলাটি শক্তিশালী ছিল। কোনো পূর্বসতর্কতা ছাড়াই হামলা চালানো হয়।’
অপর একটি হামলায় আজ-জাওয়াইদা শহরের প্রবেশপথে দক্ষিণ-উত্তর ফিলাডেলফিয়া করিডরে একটি পুলিশের গাড়িতে আঘাত হানে। ফিলিস্তিনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলায় মধ্য গাজার একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা কর্নেল আইয়াদ আব ইউসুফসহ নয়জন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। উভয় হামলার বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এই হামলাগুলো যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় চলমান মানবিক সংকট এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। ইসরায়েলি বাহিনীর মন্তব্যের অভাবে ভবিষ্যতে এমন হামলার পুনরাবৃত্তি এবং এর পরিণতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে এক ধরণের অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে।





