মধ্যপ্রাচ্যে ইউক্রেনের ড্রোন বিশেষজ্ঞ: আমেরিকার সাথে নতুন বিনিময়?

ইউক্রেনের ড্রোন বিশেষজ্ঞরা আগামী সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। রোববার এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পদের আদান-প্রদান একটি ‘দ্বিমুখী প্রক্রিয়া’ হওয়া উচিত।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় মিত্রদের ইউক্রেন সহায়তা করতে পারবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জেলেনস্কি এই মন্তব্য করেন। ইউক্রেনীয় সংবাদ সংস্থা ইউনিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলেনস্কি সাংবাদিকদের বলেন, “আগামী সপ্তাহে আমাদের বিশেষজ্ঞরা সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সহায়তা দেবেন। তারা তাদের বিশেষ সক্ষমতা নিয়েই সেখানে যাচ্ছেন।”
মূলত, ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন প্রতিহত করার অভিজ্ঞতা ইউক্রেনের কাছে রয়েছে, যা রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে তাদের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। ফলে এই ড্রোনগুলো ধ্বংস করার বিষয়ে কিয়েভের বিশেষ অভিজ্ঞতা ও কৌশল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য কার্যকর হতে পারে। জেলেনস্কি গত বুধবারই জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলো এই বিষয়ে ইউক্রেনের সহায়তা চেয়েছে।
এই সহযোগিতার বিনিময়ে ইউক্রেন আমেরিকার কাছ থেকে আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র পেতে আগ্রহী। জেলেনস্কি বলেন, “আপনারা জানেন আমাদের কিসের অভাব রয়েছে এবং আমরাও বুঝতে পারছি উপসাগরীয় দেশগুলোর কী প্রয়োজন। তাই এই সহযোগিতা উভয় পক্ষের জন্যই ফলপ্রসূ হওয়া উচিত।” ইউক্রেনের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক সামরিক সহযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই কৌশলগত বিনিময়ের মাধ্যমে আগামীতে কী ধরনের পরিবর্তন আসে, সেদিকেই নজর রাখছে বিশ্ব।





