আন্তর্জাতিক

অস্ত্রভান্ডার সংকটে যুক্তরাষ্ট্র? ৪ গুণ উৎপাদন বাড়াতে ট্রাম্পের নির্দেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলো উন্নত অস্ত্রের উৎপাদন চার গুণ বাড়াতে সম্মত হয়েছে। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের অব্যাহত হামলার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত এল। ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা আয়রন ডোম, ডেভিডস স্লিং এবং প্যাট্রিয়ট ব্যাটারিও ইরানের ক্রমাগত হামলার মুখে চাপের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা দীর্ঘ মেয়াদে কার্যকর থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, এই উৎপাদন বৃদ্ধির কাজ তিন মাস আগেই শুরু হয়েছে এবং এর লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব সর্বোচ্চ পরিমাণে অত্যাধুনিক অস্ত্র উৎপাদন করা। সম্প্রতি, বে সিস্টেমস, বোয়িং, হানিওয়েল অ্যারোস্পেস, এল৩ হ্যারিস মিসাইল সলিশনস, লকহিড মার্টিন, নর্থরপ গ্রাম্মান এবং রেথিয়নের মতো শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোর প্রধান নির্বাহীরা ট্রাম্পের সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নিয়ে এই বিষয়ে সম্মতি জানান।

অস্ত্রভান্ডার দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদন বাড়ানোর এই উদ্যোগ ইঙ্গিত দেয় যে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই উৎপাদন বৃদ্ধি সংঘাতের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

অস্ত্র উৎপাদন বৃদ্ধির এই ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কোন দিকে নিয়ে যায়, তা এখন দেখার বিষয়। তবে এটি স্পষ্ট যে, সংঘাতের মাত্রা কমাতে না পারলে, অস্ত্রের এই প্রতিযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে আরও হুমকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button