আন্তর্জাতিক

ধ্বংস হচ্ছে ইরান? ৪ সপ্তাহের জন্য ট্রাম্পের ভয়ংকর ঘোষণা…

দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকাশ্য সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। শনিবার ইরানকে লক্ষ্যবস্তু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা ঘটে। এই অভিযানের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন চরম উত্তেজনার মুখে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, এই সামরিক অভিযান চার থেকে পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর বিশ্বজুড়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা ওয়াশিংটনের কতটা আছে এবং এর চূড়ান্ত পরিণতিই বা কী হবে।

**অপারেশন এপিক ফিউরি কী?**
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ আট মিনিটের একটি ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প নিশ্চিত করেন যে, মার্কিন বাহিনী ইরানের ভেতরে একটি “বড় ধরনের সামরিক অভিযান” শুরু করেছে। পরবর্তীতে পেন্টাগনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ (Operation Epic Fury)।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেন, “এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরান যাতে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।” তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করব এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেব। এটি সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।”

এই পাল্টাপাল্টি হামলার ফলে মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্পের এই বিধ্বংসী পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত ইরানকে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং বিশ্বশান্তি কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা নিয়ে এখন গভীর উৎকণ্ঠায় সাধারণ মানুষ।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button