‘মানুষ ভাবত আমি পাগল হয়ে গেছি’, কেন এমন বললেন সানি লিওন?

বলিউড অভিনেত্রী সানি লিওনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘কেনেডি’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফরমে মুক্তি পেয়েছে। খ্যাতিমান নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপের এই সিনেমায় ‘চার্লি’ চরিত্রে অভিনয় করে রীতিমতো চমক দিয়েছেন তিনি। তিন বছর পর ওটিটিতে ফেরা এই সিনেমাটি ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে চলচ্চিত্র সমালোচকদের নজর কেড়েছে। তবে এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে অভিনেত্রীর এক সংগ্রামের গল্প ও অদ্ভুত সব অভিজ্ঞতা।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সানি লিওন জানান, ‘কেনেডি’ সিনেমায় তার চরিত্রের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল রহস্যময় হাসি। আর এই হাসিকে নিখুঁত করতে তিনি দিনরাত এক করে দিয়েছিলেন। সানি বলেন, “আমি সপ্তাহের পর সপ্তাহ সেই অদ্ভুত হাসিটা অনুশীলন করেছি। লিফটে, সেটে এমনকি বিমানবন্দরে—যখনই সুযোগ পেতাম, একাই হাসতাম। আমার এমন কাণ্ড দেখে আশপাশের মানুষ ভাবত আমি পাগল হয়ে গেছি!” তবে চরিত্রের গভীরে ঢোকার জন্য এটিই ছিল তার একমাত্র পথ।
সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া নিয়েও সানিকে অনেক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। তিনি জানান, শোবিজ অঙ্গনের নোংরা রাজনীতি আর শেষ মুহূর্তে অভিনেতা বদলে যাওয়ার ভয় তাকে তাড়া করে বেড়াত। প্রথম শট দেওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি যে অনুরাগ কাশ্যপের মতো বড় নির্মাতার সিনেমায় তিনি শেষ পর্যন্ত থাকতে পারছেন।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবসহ বিশ্বের একাধিক নামী উৎসবে ‘কেনেডি’ প্রদর্শিত হয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিনেমাটির জয়জয়কার সানির আত্মবিশ্বাসকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের চড়াই-উতরাই নিয়ে সানি বলেন, “জীবনে আমি কিছুই সহজে পাইনি। আমাকে লড়তে হয়েছে, প্রতিটি সুযোগকে আঁকড়ে ধরতে হয়েছে। একটা দরজা বন্ধ হলে আমি আরেকটা খোলার চেষ্টা করেছি।”





