প্রবাসীদের টাকা এবার কোথায় যাবে? ইসলামী ব্যাংকের এই কীর্তি জানলে অবাক হবেন!

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দেশের ব্যাংকিং খাতে এক অবিশ্বাস্য মাইলফলক স্থাপন করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ২ কোটি প্রবাসীর মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠাতে এই ব্যাংকটিকে বেছে নিয়েছেন। স্বচ্ছ লেনদেন ব্যবস্থা এবং দ্রুত প্রিয়জনের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চয়তাই এই আস্থা তৈরি করেছে।
২০২৫ সালে দেশে আসা প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয়ের (প্রায় ৪ হাজার ২৬ বিলিয়ন টাকা) মধ্যে ৬ হাজার ২০৪ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭৫৬ বিলিয়ন টাকা) এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। বর্তমানে ব্যাংকটির ৩ কোটির বেশি গ্রাহকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকা। দেশের ইসলামী ব্যাংকগুলোর মোট আমানতের প্রায় ৩৯ শতাংশই এককভাবে ধারণ করছে এই ব্যাংকটি।
এই বিপুল আমানত ইসলামী ব্যাংককে শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে বড় বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে। আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা পালন এবং দেশের সরবরাহ শৃঙ্খলা সচল রাখছে। এছাড়া, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড এসএমই খাতেও ব্যাংকটির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, যা নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়ক। পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পের (আরডিএস) মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা হয়েছে, সৃষ্টি হয়েছে লাখো মানুষের কর্মসংস্থান।
আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে এনে লেনদেনের গতি বাড়িয়েছে। টেকসই প্রবৃদ্ধি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ভবিষ্যতেও দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ৩ কোটির বেশি গ্রাহক ও অসংখ্য প্রবাসীর অটুট বিশ্বাসই এই ব্যাংকটির আগামীর পথচলার প্রধান শক্তি।





