মাঝরাতে হঠাৎ বন্ধ সব পাম্প! তেলের মজুত শেষ? জানলে চমকে যাবেন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির উত্তেজনার মধ্যেই দেশে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে তীব্র আশঙ্কা। সরকারের পক্ষ থেকে সংকট নেই দাবি করা হলেও, দেশের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনগুলোর সামনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইন এবং গ্রাহক-বিক্রেতাদের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা জ্বালানি খাতের অস্থিরতাকে আরও প্রকট করে তুলেছে। অবৈধ মজুত ঠেকাতে প্রশাসনের অভিযান চললেও, সাধারণ মানুষ জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে এক অস্পষ্টতায় দিন কাটাচ্ছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, বার্ষিক চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ মূলত আমদানি নির্ভর। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভারত, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশগুলোর উপর ভরসা করে দেশ। তবে, দেশের রিজার্ভ সক্ষমতা অনুযায়ী পুরো বছরের জ্বালানি একসাথে মজুত রাখা সম্ভব নয়। চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে নিয়মিত চালান আসা-যাওয়ার মাধ্যমে সরবরাহ চাকা সচল থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী একটি দেশে অন্তত ৯০ দিনের জ্বালানি মজুদ থাকা উচিত। কিন্তু বাংলাদেশের সক্ষমতা না থাকায় সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ দিনের বেশি জ্বালানি মজুদ রাখা সম্ভব হয় না, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে শঙ্কার মুখে ফেলেছে।
এ পরিস্থিতিতে, সরকার সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের ওপর জোর দিচ্ছে। জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পেট্রোল পাম্পগুলোতে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং মজুত বিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তবে, মাঠ পর্যায়ে মানুষের মধ্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে, তা ‘মনস্তাত্ত্বিক’ বলে দাবি করছেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।





