সিলেটে যুগল হত্যাকাণ্ড: জড়িতদের বিরুদ্ধে বাড়ি ভাঙচুর-লুটপাটের ভয়াবহ অভিযোগ!

সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় একটি হত্যাকাণ্ডের জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার জেরে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। আদালত ও থানায় পৃথক দুটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
গত ১৬ মার্চ আব্দুল কাছির মিয়ার স্ত্রী সাজনা বেগম ১২ জনের নাম উল্লেখ করে সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। এর আগে, গত ৯ মার্চ সাজনা বেগমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে দরজা, জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। নগদ টাকা, মূল্যবান জিনিসপত্র এবং পাওয়ার টিলারের যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে, গত ২৬ মার্চ লায়লা বেগম নামে আরেক ভুক্তভোগী ওসমানীনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা তার বাড়ি থেকে ৪টি ছাগল, ৫টি মুরগি, বাঁশ এবং পুকুরে থাকা মাছ লুট করে নিয়ে যায়। এমনকি রাতেও পুকুর থেকে মাছ চুরির ঘটনা ঘটে। পরদিন সকালে তার বাড়ির পানির মোটরটিও চুরি হয়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত ৮ মার্চ সামাদ আহমদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ডলি বেগম ১৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামি সাকিল মিয়া এখনও পলাতক। ওসমানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মুরশেদুল আলম ভূইয়া জানিয়েছেন, প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, রাস্তা সংক্রান্ত সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের জেরেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। পুরুষশূন্য বাড়িতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তবে, প্রতিপক্ষের সাজ্জাদ মিয়া এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতরাই ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।





