সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন! বিদেশ থেকে তেল আমদানি কি বন্ধ হবে?

দেশের ভোজ্যতেলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে সূর্যমুখী চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। কম খরচে অধিক লাভ হওয়ায় এটি চাষিদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে দিনাজপুর ও ভোলার মতো অঞ্চলগুলোতে সূর্যমুখী চাষে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হচ্ছে।
খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, এই উপজেলায় সূর্যমুখী চাষ আশানুরূপ ফলন দিচ্ছে এবং কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘হাইসান-৩৬’ জাতের সূর্যমুখী কম খরচে ভালো ফলন দেয় এবং সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করলে কৃষকরা সহজেই লাভবান হতে পারেন।
অন্যদিকে, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি জানান, ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে সূর্যমুখী চাষ এখানেও সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। কৃষকরা বাণিজ্যিকভাবে না হলেও পরীক্ষামূলকভাবে এ বছর চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভের আশা করছেন তারা।
উপজেলা কৃষি অফিসার, কৃষিবিদ ইব্রাহিম বলেন, সূর্যমুখী আমাদের দেশের আমদানি নির্ভরতা কমাতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে প্রচুর পরিমাণে ভোজ্যতেল আমদানি করতে হয়, যা সূর্যমুখী চাষের মাধ্যমে কমানো সম্ভব। এই তেলজাতীয় ফসলটি শুধু লাভজনকই নয়, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম।





