ঈদের দিনেও হঠাৎ চাপ! মাংসের দামে যা ঘটল… হতাশ জনতা

রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেও মাংসের দাম চড়া দেখা গেছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। একদিকে ঈদের আনন্দ, অন্যদিকে অপ্রত্যাশিত মূল্যবৃদ্ধি মানুষের উৎসবের কেনাকাটায় প্রভাব ফেলেছে।
ঈদ উদযাপনে মাংস অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এদিন গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় বেশি। কিছু দোকানে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরেও গরুর মাংস বিক্রি হতে দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজি প্রতি ২৩০ টাকায় পৌঁছেছে, যা গত সপ্তাহের চেয়ে ১০ টাকা বেশি। এছাড়া সোনালী মুরগি ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, যা সপ্তাহ ব্যবধানে কেজি প্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
অনেক ক্রেতা ব্যস্ততার কারণে ঈদের আগেই বাজার সারতে পারেননি, ফলে ঈদের দিনেই সেমাই, চাল, তেল ও মসলা কিনতে গিয়েছেন। এসময় তাদের মাংসসহ অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্ধিত দামের মুখোমুখি হতে হয়েছে। অন্যদিকে, মুদি দোকানগুলোতে কোমল পানীয়, আইসক্রিম, চকলেট ও চিপসের বিক্রি বেড়েছে, কারণ ছোটদের হাতে ঈদের সেলামি আসায় এসব পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দোকানিরা জানিয়েছেন। ঈদ ঘিরে সেমাই ও দুধের দাম স্থিতিশীল থাকলেও, কিছু এলাকায় সয়াবিন তেলের সংকট এবং মসলা ও সুগন্ধি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে, যা উৎসবের প্রস্তুতিতে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে।
এই মূল্যবৃদ্ধি ঈদের দিনের আনন্দকে কিছুটা ম্লান করেছে বলে অনেক ক্রেতা অভিযোগ করেছেন। উৎসবের এই সময়ে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে কিনা, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।





