কক্সবাজারে যা ঘটল রাতে… বদলে যাচ্ছে পর্যটন!

সমুদ্রের নীল জলরাশির বুকে ঢেউয়ের সাথে মিতালি করে লড়াকু সার্ফাররা মেতেছেন ‘কিউট ৮ম জাতীয় সার্ফিং টুর্নামেন্ট’-এ। কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টে এই বর্ণাঢ্য আয়োজনের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি ঘোষণা করেন, কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে ‘স্পোর্টস ট্যুরিজম’ গড়ে তোলার বিশাল পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই সার্ফিং টুর্নামেন্টের মাধ্যমে শুধু দেশ নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন দেখছেন তরুণ সার্ফাররা।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, “দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করবে এই তরুণরা।” বাংলাদেশ সার্ফিং এসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম মুজাহিদ উদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ক্রিকেটের মত সার্ফিংয়েও যদি জোরালো পৃষ্ঠপোষকতা মেলে, তবে এশিয়ান গেমসের মতো বৈশ্বিক মঞ্চে পদক আনা অসম্ভব কিছু নয়।”
উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী সার্ফিংয়ের জন্য নির্ধারিত নিজস্ব জায়গা পরিদর্শন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। তিনি জানান, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ইতিমধ্যে ক্রীড়া ভাতা চালু করা হয়েছে। এছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলাকে জাতীয় শিক্ষাক্রমে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কক্সবাজারের এই লোনাজলে বোনা স্বপ্নের বীজ সঠিক তদারকি ও পৃষ্ঠপোষকতা পেলে বৈশ্বিক ডালপালা মেলার অপেক্ষায় রয়েছে, যা বাংলাদেশের সার্ফারদের বিশ্ব মঞ্চে পরিচিতি এনে দিতে পারে।





