চট্টগ্রাম বিভাগ

তিন নদীর মোহনায় যা ঘটল! পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে হতবাক সবাই

চাঁদপুরের পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া—এই তিন নদীর মিলনস্থল এখন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এক বিশেষ আকর্ষণ। এখানকার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের মন কেড়েছে। এমন অসাধারণ দৃশ্যের টানে বারবার এখানে ছুটে আসেন দর্শনার্থীরা।

বর্তমানে এই মোহনা দেশব্যাপী জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এখানে প্রবেশে কোনো টিকিট লাগে না। সূর্যাস্ত দেখার মনোরম দৃশ্য, ট্রলার বা স্পিডবোটে ঘুরে বেড়ানো, শিশুদের খেলার ব্যবস্থা এবং সুস্বাদু ইলিশ মাছের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। শীতকালে সরিষা ফুলের হলদে রঙে সেজে ওঠে চারপাশ, যা ভ্রমণে এক নতুন মাত্রা যোগ করে।

এছাড়াও, চাঁদপুরে রয়েছে ৫০০ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়ি, যা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত। ফরিদগঞ্জে অবস্থিত প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো জমিদার বাড়িটি এখনো তার ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। রহস্যময় ও আকর্ষণীয় এক স্থান প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো মঠও পর্যটকদের কাছে এক ভিন্ন আকর্ষণ। জুমাতুল বিদার জামাতসহ ধর্মীয় গুরুত্বের কারণে চাঁদপুরের ancient মসজিদটিও pilgrimage-এর জন্য পরিচিত। আলুমূড়া রিসোর্ট পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর জন্য আদর্শ স্থান।

চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক এরশাদ উদ্দিন জানিয়েছেন, ত্রি নদীর মোহনা এবং মিনি কক্সবাজারের মতো পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন থেকে আর্থিক বরাদ্দ পেলে এখানকার সকল পর্যটন স্পট আরও নান্দনিকভাবে গড়ে তোলা হবে।

চাঁদপুরের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক জানিয়েছেন, পর্যটন খাত তার পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে একটি প্রজেক্ট প্রোফাইল জমা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এছাড়াও, সেতু থেকে লঞ্চ ঘাট পর্যন্ত একটি ওয়াকওয়ে নির্মাণ, আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কেবল কার, ভাসমান রেস্টুরেন্ট এবং আধুনিক বিনোদন রাইডস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। তার মতে, পর্যটন এলাকায় ভালো আয়োজন থাকলে দর্শনার্থীর সংখ্যাও বাড়বে।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button