ফসলি জমির মাটি লুটের মহোৎসব: বিকাশে যাচ্ছে টাকা, রাতের আঁধারে চলছে পাহাড় কাটা!

পাবনার চাটমোহরে রাতের আঁধারে ফসলি জমি কেটে সাবাড় করা হচ্ছে। প্রশাসনের নাকের ডগায় চলছে মাটি খেকো চক্রের জমজমাট ব্যবসা। উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বৃ-রায়নগর প্রাইমারি স্কুলের পাশে সালাম এবং নজরুলের ১৮ বিঘা আবাদি জমি থেকে দিনে-দুপুরে মাটি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাতভর ভেকু মেশিন দিয়ে এই মাটি কেটে ট্রাক, ট্রলি ও নসিব্বারে করে ইটভাটা ও বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।
বাঘলবাড়ী গ্রামের গোলজার হোসেন ও মনির তত্ত্বাবধানে ফসলের জমির টপসয়েল কেটে বিক্রি হলেও যেন দেখার কেউ নেই। রাতভর মাটি বহনকারী ভারী যানবাহনের বিকট শব্দে এলাকার পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে গোলজার ও তার চক্র প্রশাসনসহ বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে এই কাণ্ড ঘটিয়ে চলেছে। তারা বিকাশের মাধ্যমে ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠিয়ে নিয়মিত এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।
মাটি কাটার মূলহোতা গোলজার হোসেনের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি, কারণ তার মোবাইল বন্ধ ছিল। চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুতই ফসলি জমি কেটে বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে উপজেলার ছাইকোলা, নিমাইচরা, হরিপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নেও ভেকু দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল বিক্রির একই মহোৎসব চলছে, যা স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।





