বিএনপির হঠাৎ মতবদল: ওয়াসার পানিও পান অযোগ্য, বলছেন জামায়াত আমির!

জনগণের দেওয়া ওয়াদা রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। গণভোটের প্রস্তাব দিয়েও দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়েই রাতারাতি মত বদলানোর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, এই সংকট তৈরি হয়েছে কারণ বিএনপি তাদের দায়িত্ব পালন করেনি। সম্প্রতি এক জনাকীর্ণ সমাবেশে তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী জনগণই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হলেও তাদের মতামতকে উপেক্ষা করা হচ্ছে। গণভোটের পক্ষে জনমত প্রবল থাকা সত্ত্বেও তা কেন অগ্রাহ্য করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান ফ্যাসিবাদকে একটি রোগ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এটি একজনের থেকে আরেকজনে সংক্রমিত হয়। জনগণের রায়কে অবহেলা করার মাধ্যমেই ফ্যাসিবাদ সূচনা হয়। তিনি আহ্বান জানান, বর্তমান ও অতীতের মজলুমদের জুলুমের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে।
জ্বালানি সংকটের বিষয়ে তিনি সরকারের নীতিকে গোপন করার অভিযোগ করেন। পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি সরকারকে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনার আহ্বান জানান।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রশাসক নিয়োগের সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, এতে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অধিকার খর্ব হচ্ছে। নির্বাচনে পরাজিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো অনৈতিক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শিক্ষার্থীদের হোম ক্লাসের বিষয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, শিশুরা ইতিমধ্যেই ডিভাইসে আসক্ত। হোম ক্লাসের নামে তাদের হাতে আবার ডিভাইস তুলে দিলে আসক্তি আরও বাড়বে এবং মেধার অপমৃত্যু ঘটবে।
তিনি জানান, ৪ এপ্রিল থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের মাঠ পর্যায়ের কর্মসূচি শুরু হবে। জনগণের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে, যা হবে নিয়মতান্ত্রিক এবং ইস্পাত কঠিন।





