দেড় যুগেও মাহমুদুর রহমানের মুক্তি মেলেনি, কারাবাসেই দিন কাটছে!

২০০৭ সালে ‘আমার দেশ’ পাঠক মেলার সঙ্গে যুক্ত হওয়া এক প্রতিবেদকের দীর্ঘ দেড় যুগের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আওয়ামী সরকারের সময়ে ২০০৯ সালে পাঠক মেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের পর তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকেই দেশে “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ” ডালপালা মেলতে শুরু করে বলে অভিযোগ করেন। ২০১০ সালে মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তার এবং ‘আমার দেশ’ পত্রিকা বন্ধ করে দেওয়ার প্রতিবাদে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হয়। সিলেট থেকেও এই আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল।
প্রতিবেদকের ভাষ্যমতে, এই আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৯ দিন কারাভোগ করতে হয়। মাহমুদুর রহমান দীর্ঘ ৯ মাসেরও বেশি কারাবাসের পর মুক্তি পেলেও, পরবর্তীতে আবারও গ্রেপ্তার ও কারা নির্যাতনের শিকার হন। ‘আমার দেশ’ পত্রিকার ছাপাখানাও সিলগালা করে দেওয়া হয়। এরপর মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও পত্রিকার ছাপাখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন বেগবান হয়।
২০১৬ সালে মাহমুদুর রহমান প্রায় সাড়ে তিন বছর পর মুক্তি পেলেও, বিভিন্ন হামলা ও মামলার বিরুদ্ধে ‘আমার দেশ’ পাঠক মেলা সিলেট সোচ্চার ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে “চূড়ান্ত ফ্যাসিবাদ” কায়েম হওয়ার পর অনেক সহযোদ্ধা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লে কার্যক্রম স্তিমিত হয়ে যায়। এমনকি পাঠকমেলার এক সহ-সভাপতি বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাও গেছেন।





