বিদেশে পাচার হওয়া হাজার হাজার কোটি টাকা ফেরানোর নির্দেশ! ব্যাংক খাতে আসছে বড় পরিবর্তন?

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে এক বড়rescale হতে চলেছে! একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংক থেকে ঋণের আড়ালে বিদেশে পাচার হওয়া শত শত কোটি টাকা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক জোর তৎপরতা শুরু করেছে। এই বিশাল অঙ্কের টাকা উদ্ধারে এবার বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে অপ্রকাশযোগ্য চুক্তি (NDA) সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। চলতি এপ্রিল মাসের মধ্যেই এই চুক্তি শেষ করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
আলোচিত পাঁচ ব্যাংক হলো – সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং এক্সিম ব্যাংক। এর মধ্যে প্রথম চারটি ব্যাংক এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ছিল, যাদের বিরুদ্ধে ২ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণের নামে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, এক্সিম ব্যাংক পরিচালিত হয় নাসা গ্রুপের কর্ণধার নজরুল ইসলাম মজুমদারের অধীনে, যাদের ঋণের পরিমাণ ৯ হাজার ২১৪ কোটি টাকা।
জানা গেছে, ইতোমধ্যে ছয়টি শিল্পগোষ্ঠীর মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে ১০টি ব্যাংক ৩৬টি এনডিএ চুক্তি করেছে। এর মধ্যে এস আলম গ্রুপের অর্থ উদ্ধারের জন্য ১০টি এনডিএ স্বাক্ষরিত হবে, যার মধ্যে তিনটি সম্পন্নও হয়েছে। এছাড়াও আরামিট গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, সিকদার গ্রুপ, নাসা গ্রুপ, ওরিয়ন গ্রুপ সহ বিভিন্ন গ্রুপের বিরুদ্ধেও এনডিএ চুক্তি করা হয়েছে।
বৈঠকে গভর্নর স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে, আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধার করতে হবে এবং দেশের এই সম্পদ ফিরিয়ে এনে ব্যাংকগুলোকে সচল করতে হবে। উল্লেখ্য, এই ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের হার অনেক বেশি, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলছে।





