ইরাণে বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি: যুক্তরাষ্ট্র কি ‘যুদ্ধাপরাধী’ হতে চলেছে?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর বিশ্বজুড়ে তোলপাড়। ইরানের বিদ্যুৎ, পানি শোধনাগারসহ গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক স্থাপনায় হামলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এটিকে ‘স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ’ বলে সতর্ক করেছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
মার্কিন যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক সাবেক রাষ্ট্রদূত স্টিফেন জে. র্যাপ বলেছেন, পানি শোধন প্ল্যান্টে হামলা নিশ্চিত যুদ্ধাপরাধ। তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে ইরানে ১ লাখ ১৩ হাজারেরও বেশি বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, ওয়াশিংটনকে যুদ্ধ বাড়ানোর অর্থ সরবরাহ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর)। তাদের মতে, এটি একটি আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী কর্মকাণ্ড।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের পাশাপাশি দক্ষিণ লেবাননেও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার ঘোষণা এসেছে। মানবাধিকার সংস্থা মেডিকেল এইড ফর প্যালেস্টাইনসের অভিযোগ, গাজায় যেভাবে সামরিক কৌশল প্রয়োগ করা হয়েছে, একই পদ্ধতি লেবাননেও প্রয়োগ করে জনগণকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এই ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক সংঘাতের মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবন ও তাদের মৌলিক অধিকারগুলো চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সামনে কী ঘটতে চলেছে, তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা।





