পশ্চিমা আগ্রাসনে ধুঁকছে বিশ্ব! খোদ মার্কিনিদের নগ্ন সত্য ফাঁস

বিশ্বজুড়ে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি এবং নয়া উপনিবেশবাদের আগ্রাসন মানবসভ্যতাকে এক ভয়াবহ পরিণতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিভিন্ন দেশে যুদ্ধ, দখল, অপহরণ এবং মনস্তাত্ত্বিক আগ্রাসনের মাধ্যমে তারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ভিয়েতনাম, আফগানিস্তান, ইরাক থেকে শুরু করে ল্যাটিন আমেরিকা পর্যন্ত এমন নজির স্থাপন করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীরা।
১৯৮০-র দশকে পোল্যান্ডের সলিডারিটি আন্দোলন, পূর্ব জার্মানির বার্লিন প্রাচীরের পতন, পানামার জেনারেল নরিয়েগা, চিলির আলেন্দে, হাইতির অ্যারিস্টিক এবং ভেনিজুয়েলার মাদুরো—এসব ঘটনা পশ্চিমা আধিপত্যের করুণ চিত্র তুলে ধরে। মার্কস যেমন বলেছেন, সাম্রাজ্যবাদীরা পুঁজিবাদের প্রসার এবং বাজার দখলের জন্য যেকোনো নিষ্ঠুর পন্থা অবলম্বন করতে দ্বিধা করে না। খনিজ সম্পদ, বিশেষ করে তেলসম্পদ দখলই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।
যুদ্ধকে একটি কার্যসম্পাদন বা কর্ম-উদ্ধারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র। তাদের ২৫ বছরের ইতিহাসে মাত্র ১৬ বছর যুদ্ধবিহীন অবস্থায় থেকেছে। এটি এক নগ্ন সাম্রাজ্যবাদের উদাহরণ। ঘানার প্রথম প্রেসিডেন্ট কোয়ামে নক্রমা যেমন বলেছিলেন, নয়া উপনিবেশবাদে জাতিগুলো নামমাত্র স্বাধীন হলেও অর্থনৈতিকভাবে বিদেশি শক্তির দ্বারা শাসিত হয়। ইরান যুদ্ধ কেন হচ্ছে, এর পেছনে কার ইন্ধন—তা বুঝতে গেলে এই নয়া উপনিবেশবাদ এবং সাম্রাজ্যবাদের পুরো ব্যবস্থা বোঝা জরুরি।





