বিচারপতির পদত্যাগে তোলপাড়! দুর্নীতির অভিযোগ কি তবে সত্যি?

বাংলাদেশের বিচার অঙ্গনে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান। দুর্নীতির অভিযোগে তিনি পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে তার পদত্যাগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে, যা এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।
বিচারপতি রেজাউল হাসানের বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে এক গুরুতর অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এই অভিযোগ করেন, যেখানে দুর্নীতি, অসদাচরণ এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বিচারপতি রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার শুনানিতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। একটি মামলার রায়ে এমন সিনিয়র আইনজীবীর যুক্তিতর্কের উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি উপস্থিতই ছিলেন না। বিষয়টি পরবর্তীতে আপিল বিভাগে বাতিলও হয়। অন্য একটি মামলায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্ত্রীকে যুক্ত না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এই অপ্রত্যাশিত পদত্যাগে বিচার বিভাগে চাপা গুঞ্জন চলছে। অভিযোগগুলো কতটা সত্যি এবং এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব কী হতে পারে, তা সময়ই বলবে।





