জাতীয়

বছরেই বদলে যাচ্ছে পরীক্ষার ফল! আপনার সন্তানের কি হবে?

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের তারতম্য দেখা যাচ্ছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের তুলনায় কুমিল্লা বোর্ডের পাসের হার প্রায় ১৬ শতাংশ কম। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলেও এই পার্থক্য বিশাল। শুধু বোর্ডভিত্তিক নয়, বছরভিত্তিক ফলাফলেও দেখা যাচ্ছে বড় ধরনের হেরফের। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রশ্নপত্রের মান, খাতা দেখা এবং উত্তরপত্রের মূল্যায়নে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে নীতিগত ভিন্নতার কারণেই এই তারতম্য ঘটছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈষম্য শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ জীবনে বড় প্রভাব ফেলছে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, চাকরি এমনকি পদোন্নতির ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়ছে। কারণ, একই মেধার দুজন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজন ভালো ফল করে এগিয়ে যাচ্ছে, অন্যজন পিছিয়ে পড়ছে বৈষম্যের শিকার হয়ে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, প্রায় ৪১ শতাংশ পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। শুধু তাই নয়, গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। কর্তৃপক্ষের মতে, এটি শিখন প্রক্রিয়ার ঘাটতির ফল। তবে এই ধরনের বড় ধরনের তারতম্য কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এ বিষয়ে নতুন শিক্ষামন্ত্রীর সুচিন্তিত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, পরীক্ষা পরিচালনায় কড়াকড়ি ভালো, তবে তা যেন কোনো বিশেষ ব্যাচের পরীক্ষার্থীদের প্রতি অবিচার না করে। গ্রেডিং পদ্ধতি সংস্কার করে, প্রশ্নপত্রের মান অনুযায়ী গ্রেড সমন্বয় করার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। প্রয়োজনে মূল প্রাপ্ত নম্বরের পাশাপাশি সমন্বয়কৃত লেটার গ্রেডও মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এই বিভাগের আরও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button