চীনের রাষ্ট্রদূতের বড় ঘোষণা! বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তনে আসছে নতুন যুগ?

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন জানিয়েছেন, সামাজিক সুরক্ষা খাতে চীন-বাংলাদেশ পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে চীন কাজ করতে আগ্রহী। চীনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা যদি বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগে, তবে সমৃদ্ধি ও জনগণের কল্যাণে চীন ফলপ্রসূ অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন। সোমবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সরকারের গৃহীত ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এটি নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা খাতেও চীন বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায়।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতা, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক সম্মানের দিক থেকে চীন বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পুরনো বন্ধু। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড একটি ডেটাবেজ ভিত্তিক ডিজিটাল সামাজিক সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নারীর ক্ষমতায়নে কাজ করবে। এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচিকে একটি স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় রূপ দিতে চীনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির মাধ্যমে দেশকে সামাজিকভাবে সুরক্ষিত করতে তিনি চীনের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও গভীরতর করতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





